শুক্রবার, ১৭ জুন ২০২২, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালকিনিতে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলায় ১০টি বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পদ্মা সেতুতে গাড়ি নিয়ে প্রতিযোগিতা না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক নোমানীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন গলাচিপা কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা বিষয়ক রোভিং সেমিনার নবীজিকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। চরফ্যাশনে চর মাদ্রাজ ৪ নং ওয়ার্ডের রাসেল দেওয়ানের ফুটবল মার্কার উঠান বৈঠক। চট্টগ্রামে ২ মাদক পাচারকারী আটক ফরিদপুরের নিখোঁজ মুসলিম প্রেমিকাসহ হিন্দু যুবক আবাসিক হোটেলে! ভোলা চরফ্যাশনে বিশ্ব নবীকে কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে ওলামা ও আইম্যা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।। গলাচিপায় বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী তক্ষক সহ আটক -১

কঠোর লকডাউনে নিম্নমধ্যবিত্তদের কঠিন জীবন-যাপন

 

আহসান হাবীব স্টাফ রিপোর্টার

মধ্যবিত্ত বলতে আমরা কি বুঝি? ছোট করে বলতে গেলে মধ্যবিত্ত বলতে এমন একটা জীবনকে বোঝায় যেখানে স্বাদ আছে কিন্তু সাধ্য থাকে না।

দেশব্যাপী করোনা সংক্রমন নিয়ন্ত্রণে চলছে কঠোর লকডাউন। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুম। এই বর্ষা আর লকডাউনের কারণে চরম বিপাকে পড়েছে নিম্নমধ্যবৃত্তরা । ঈদ কে সামনে রেখে দূরচিন্তায় পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ গুলোর। তারা এখন নিজ পরিবারের জন্য কিভাবে খাবার যোগার করবেন বা সংসার চালাবেন এ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন।

সব চাইতে বেশী বিপদে আছে মধ্যবৃত্তরা। তারা না পারে চেয়ে খেতে, না পারে যে কোন কাজ করতে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে চাকরি করতাম। করোনার পর থেকেই স্কুল বন্ধ। এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে কি,জে’ বিপদে আছি।

না পারছি বলতে না পারি সইতে। সামনে ঈদ, মাঝে মধ্যে মনে হয় যে কাজ পাবো সেই কাজ করবো। কিন্তু চক্ষু লজ্জায় কিছুই করতে পারছিনা।

এক সময়ের একজন সফল ব্যবসায়ী জানান,ব্যবসায় লুকশানে এখন নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তিনি বললেন ভাই আমার করুন অবস্থা কারো কাছে কিছু চাইলে কেও বিশ্বাস করতে চাইনা আমার অভাব আছে। সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয় ভালো প্যান্ট, ভালো শার্ট পড়তে হয় । না পারি ভ্যান চলাতে না পারি বড় ব্যাবসা করতে। জীবনের কঠিন সময় পার করছি দেখার কেউ নেই।

বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, রাস্তার মোড়ে কিংবা বাজারের পাশে ছোট দোকান গুলো বন্ধ। সামনে ঈদ কে সামনে রেখে দূরচিন্তার শেষ নেই নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তাদের।

একদিকে লকডাউনের কারণে সাধারণ মানুষের আনাগোনা নেই। আর মানুষ যদি না থাকে তাহলে আমাদের কি হবে, কিভাবে চলবে সংসার এমনটাই বললেন ছোট খাটো ব্যবসায়ীরা।

একজন লুঙ্গি ব্যাবসায়ী বলেন, বাজারের পাশে বসে লুঙ্গি বিক্রি করতাম, কিন্তু মানুষজন না থাকায় খুব কষ্টে আছি। লকডাউন চলার কারণে কোনও কাজ নেই। আমার পরিবারে চারজন সদস্য। সবাই আমার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই বসে আছি যদি কিছু আয় হয় সে আশায়।

মধ্যবিত্ত পরিবার !এরা না গরীব, না ধনী ।এই শ্রেণীর লোকেরা পৃথিবীতে আসে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার জন্য !!মধ্যবিত্ত পরিবারে মানুষ স্বপ্ন দেখে না বা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায় !কারন স্বপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট খুবই মারাত্মক ।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ