সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক নাজমুল সানি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বই উপহার পেলেন। কালের নতুন সংবাদের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডা. রবীন্দ্রনাথ মল্লিকের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠিত গলাচিপায় মুক্তির উৎসব ও উন্নয়ন মেলায় প্রথম স্থান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দুইশত বছর যাবত গ্রামের মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন গলাচিপায় স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধন করলেন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাসারে দেড় কিলোমিটার সড়কের সংস্কার ব্যয় ৭৭ লাখ বড় বাইশদিয়া ভিলেজ ডেভলপমেন্ট সোসাইটি (বিভিডিএস) ” নামে সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ মাদারীপুরে কৃষক লীগ নেতা মানিক সরদার হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

গর্ভপাতের মারাত্মক কয়েকটি লক্ষণ

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ নারীর গর্ভপাত ঘটে থাকে প্রথম ৩ মাসের মধ্যে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী গর্ভকালীন সময়ের ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যদিও এর প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। আবার অনেক নারীই বুঝতে পারেন না যে, তিনি গর্ভবতী ছিলেন বা তার গর্ভপাত ঘটেছে।

গর্ভপাত কেন ঘটে?

একাধিক কারণে গর্ভপাত ঘটতে পারে, যার বেশিরভাগই শারীরিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঘটে। গর্ভপাত হওয়া যে কোনো দম্পতির জন্যই কষ্টকর। তবে এটি এমন কিছু নয় যে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

গর্ভপাত হলে দেখা দেয় কিছু লক্ষণ। কিছু ক্ষেত্রে গর্ভপাত রুখে দেওয়া যায় আবার কখনও অনিবার্য কারণে তা ঘটে থাকে। জেনে নিন ৫ ধরনের গর্ভপাত ও এর লক্ষণসমূহ-

কমপ্লিট মিসক্যারেজ বা সম্পূর্ণ গর্ভপাত

সম্পূর্ণ গর্ভপাত হলে, ভ্রূণের সব টিস্যু জরায়ু থেকে বের হয়ে যায়। এ ধরনের গর্ভপাতের ফলে বেশ কয়েকদিন ধরে ভারী রক্তপাত হতে পারে। একইসঙ্গে পেটে ব্যথা অনেকটা প্রসব বেদনার মতো হয়ে থাকে।

তখন জরায়ু সংকোচন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গর্ভপাত নিশ্চিত করবেন।

ইনকমপ্লিট মিসক্যারেজ বা অসম্পূর্ণ গর্ভপাত

এ ধরনের গর্ভপাতের ক্ষেত্রে ভ্রূণের কিছু টিস্যু জরায়ুতে থেকে যায়। রোগীর অবস্থা পরীক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা ভ্রূণের বাকি টিস্যু অপসারণ করে থাকেন।

যদি টিস্যুগুলো দীর্ঘদিন জরায়ুতে থেকে যায় তাহলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। অসম্পূর্ণ গর্ভপাতের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত রক্তপাত এবং তীব্র পেটে ব্যথার লক্ষণ দেখা দেয়।

মিসড মিসক্যারেজ

কিছু ক্ষেত্রে ভ্রূণ জরায়ুর দেওয়ালে জায়গা করে নেয়, তবে ভ্রূণের বিকাশ ঘটে না। এমন ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর গর্ভপাত ঘটে থাকে।

এ ধরনের গর্ভপাতের কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে। যা পরবর্তী জটিলতা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে। এমন ক্ষেত্রে বাদামি স্রাব, বমি বমি ভাব ও ক্লান্তি দেখা দেয়।

থ্রেটেন্ড মিসক্যারেজ বা গর্ভপাতের আশঙ্কা

এটি প্রকৃত গর্ভপাতের মতো নয়। এক্ষেত্রে গর্ভপাতের যে কোনো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে আপনার ভ্রূণের ক্ষতি হবে না। গর্ভপাতের আশঙ্কা থাকলে সামান্য রক্তপাত এবং তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকলে ও বিশ্রাম নিলে আপনি সুস্থ গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে পারবেন। অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ইনএভিটেবল মিসক্যারেজ বা অনিবার্য গর্ভপাত

এ ধরনের গর্ভপাতের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে আছে অতিরিক্ত রক্তপাত এবং গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে পেটে ব্যথা। জরায়ুমুখ খুলে যাওয়ার কারণে গর্ভপাত ঘটে থাকে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকরাও গর্ভপাত ঠেকাতে পারেন না।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ