মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক নোমানীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন গলাচিপা কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা বিষয়ক রোভিং সেমিনার নবীজিকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। চরফ্যাশনে চর মাদ্রাজ ৪ নং ওয়ার্ডের রাসেল দেওয়ানের ফুটবল মার্কার উঠান বৈঠক। চট্টগ্রামে ২ মাদক পাচারকারী আটক ফরিদপুরের নিখোঁজ মুসলিম প্রেমিকাসহ হিন্দু যুবক আবাসিক হোটেলে! ভোলা চরফ্যাশনে বিশ্ব নবীকে কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে ওলামা ও আইম্যা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।। গলাচিপায় বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী তক্ষক সহ আটক -১ নারী শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওমর সানীকে গুলি করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ

টানা ১৮ দিন করোনায় মৃত্যুহীন বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসে দেশে আজও কারো মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১৮ দিন কোভিডে মৃত্যুহীন কাটাল বাংলাদেশ। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই ২৯ হাজার ১২৭ জনে অপরিবর্তিত রয়েছে। এর আগে গত ২০ এপ্রিলের পর করোনায় কারও মৃত্যুর খবর আসেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন রোগীদের মধ্যে ১৯ জন ঢাকার, একজন টাঙ্গাইলের, একজন রংপুরের, একজন কুড়িগ্রামের, একজন কুষ্টিয়ার এবং একজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৯ জনে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৫৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। আগের দিন এই হার শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ ছিল।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২৬৩ জন। এ নিয়ে ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫২৬ করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

 

 



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ