শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্ব নদী দিব উপলক্ষে গলাচিপা “নেঙর” আয়োজনে রামনাবাদ নদী পরিদর্শন তালা প্রতীক নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মাসুদ আলম খান। দক্ষিণ এশিয়া বিজনেস এ্যাওয়ার্ড পেলেন এস.এম জাকির হোসেন এম ভি আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে সন্তান প্রসব, পরিবারের জন্য আজীবন ভাড়া ফ্রী গলাচিপার কৃতি সন্তান মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন। রাজৈরে ভোটঘর সোশ্যাল ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মানিকগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁদমারিতে সংঘাত-রক্তপাত, বেপরোয়া আলামিন বাহিনীর বিরুদ্ধে তিন মামলা জেলা পরিষদ নির্বাচনে কামরুলকে প্রার্থী করতে ইউপি সদস্যদের জোট

তিনি বাঙালির হৃদয়ে চির ভাস্বর

আগস্ট মাস এলেই মনে পড়ে যায় সেই ভয়াবহ স্মৃতি, যা আমাদের বেদনার্ত করে তোলে। বিশাল হৃদয়ের যে মানুষটিকে কারাগারে বন্দি রেখেও স্পর্শ করার সাহস দেখাতে পারেনি পাকিস্তানি বাহিনী, অথচ স্বাধীন বাংলার মাটিতে নির্মমভাবে তাকে জীবন দিতে হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে গোটা জাতি। সেই আগস্টের ৭তম দিন আজ। ১৯৭৫ সালের ৭ আগস্ট ছিল বৃহস্পতিবার।

ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও বাঙালির হৃদয়ের আসনে তিনি চির ভাস্বর, চির অম্লান। বাঙালির হৃদয়ের মণিকোঠায় তিনি অধিষ্ঠিত। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় রচিত হচ্ছে সাহিত্য, ছড়া, কবিতা ও গান। কবির ভাষায়-‘একটি মানুষ বুঝি হয়ে যায় একটি পতাকা/একটি মানুষ বুঝি হয়ে যায় একটি স্বদেশ/একটি মানুষ বুঝি হয়ে যায় ছিন্নপত্রে আঁকা/একটি মানুষ বুঝি হয়ে যায় অনির্বাণ রেশ।’

পনের আগস্টের কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিণী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য, আত্মীয়-স্বজন। সেদিন দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ঘটনায় গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। সে ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দ্য টাইমস অব লন্ডনের ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয়-‘সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সব সময় স্মরণ করা হবে। কারণ তাকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই’।

একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছিল, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসাবে বিবেচনা করবে’।

ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে থেমে থাকেনি। এরপর তার বেঁচে যাওয়া কন্যা শেখ হাসিনাকে অন্তত ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করে তারা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি।

 



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ