সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক নাজমুল সানি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বই উপহার পেলেন। কালের নতুন সংবাদের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডা. রবীন্দ্রনাথ মল্লিকের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠিত গলাচিপায় মুক্তির উৎসব ও উন্নয়ন মেলায় প্রথম স্থান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দুইশত বছর যাবত গ্রামের মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন গলাচিপায় স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধন করলেন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাসারে দেড় কিলোমিটার সড়কের সংস্কার ব্যয় ৭৭ লাখ বড় বাইশদিয়া ভিলেজ ডেভলপমেন্ট সোসাইটি (বিভিডিএস) ” নামে সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ মাদারীপুরে কৃষক লীগ নেতা মানিক সরদার হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

দৃষ্টি অন্তর্ভেদী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জন্মদিন আজ

অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জন্মদিন আজ। তার দৃষ্টি অন্তর্ভেদী, সেই দেখাই তার লেখাকে দিয়েছে বাড়তি সমীহ। তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বৃত্তে সমাজের বিশিষ্টরা। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্ক তার সাংবাদিক সত্তাকে কখনো আচ্ছন্ন করে না। সদা হাস্যোজ্জ্বল হিসেবে নিজেকে সহজ করে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করেন খায়রুল আলম রফিক। বয়স বা পদের গুরুদায়িত্ব তাকে কোনো দিন অনুজদের কাছে অচেনা করে রাখে না। দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম রফিককে সহযোদ্ধারা কাছের মানুষ ভাবতেও তাই সময় লাগেনি। উজ্জ্বল দৃষ্টি, আর অবিন্যস্ত ক্লিনশেভের ফাঁকে একটু ফিচেল হাসির রেখা। সবমিলিয়ে এটাই হলো খায়রুল আলম রফিকের মলাট। পাতা ওল্টালে ভরপুর গল্প, মজা, অভিজ্ঞতার নানা কাহিনিতে শিখে নেওয়ার উপকরণ তিনি। এখন তিনি দায়িত্বে আছেন- বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) সভাপতি, ২৪ ঘণ্টা নিউজের এডিটর-ইন-চিফ, বাংলাদেশ মানবতা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে। সদা ব্যস্ত থাকেন শিখর চূড়ায় তার লেখালিখি নিয়ে। নিতান্ত মামুলি রিপোর্টারা দৌড়ে বেড়ান নিজেদের অ্যাসাইনমেন্টে। কিন্তু সেই ফাঁকটা ভরাট করে কাছে আসার রাস্তাটা খুলে দিয়েছেন তিনি নিজেই। তাই অল্প দিনেই তিনি সকল সাংবাদিকদেরও কাছের মানুষ। চাক্ষুষ পরিচয়ের অনেকের চোখে হিরো খায়রুল আলম রফিক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদী সাংবাদিকতা, অভিজ্ঞতার অফুরান ভাণ্ডারি খায়রুল আলম রফিক। তিনি প্রধানত রিপোর্টার। দেখার চোখ অন্তর্ভেদী। একই জায়গায় দশজন যা দেখেন, খায়রুল আলম রফিক দেখেন অন্যরকম। আর সেই দেখাটাই তার লেখাকে দিয়েছে বাড়তি সমীহ। সহযোদ্ধাদেরও উপদেশ দেন, যখন কোথাও যাবেন, নিজের মতো করে কিছু একটা দেখার চেষ্টা করবেন। যাতে রিপোর্টে নিজস্ব ছাপথাকে। অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়। শুধু লেখার হুলনয়, নিছক মজায় বসদের জ্বালাতন করাতেও খায়রুল আলম রফিকের জুড়ি মেলা ভার। চিফ রিপোর্টার তো দূরস্থান, খোদ সংবাদপত্রের সম্পাদকদেরও সেই জ্বালা সইতে হয়েছে। তবে সবই বিশুদ্ধ রসিকতা। আর বড়রা সেটা বুঝেন, উপভোগও করেন। বাস্তবে বাড়ি-গাড়ি-সংসার বিষয়ে খায়রুল আলম রফিক চরম উদাসীন। সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক সংবাদিকতার প্রতিটি স্তরে কৃতী। সাংবাদিকতার স্বীকৃতিতে বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। রিপোর্টার খায়রুল আলম রফিকের পরিচিতির জগৎ স্বাভাবিকভাবেই বিস্তৃত। তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বৃত্তে বিখ্যাত ব্যক্তিগণ । সেখানে দল,মত, গোষ্ঠীর কোনো নেই বাছবিচার। তবে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক কখনো তার সাংবাদিক সত্তাকে আচ্ছন্ন করে না। যা উচিত বলে মনে করেন পরম বন্ধুর বিরুদ্ধে হলেও সে কথা লিখতে তার দ্বিধা নেই। এই আপসহীনতাই খায়রুল আলম রফিকে এগিয়ে এনেছে । জনপদকে সংবাদ থেকে বিচ্ছিন্ করার ষড়যন্ত্রকারীদের লিখনিতে বুঝিয়ে দেন, সাংবাদিককে তার কাজ থেকে, নাগরিককে তার অধিকার থেকে, নির্বাসিত হতে দেবেন না। খবর থাকলে ভুলও থাকবে। থাকবে একশো আপত্তির, ছশো অনুযোগ। আগেও সংবাদপত্রে কুৎসিত কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে তাঁবেদারি, সবই ছিল। তবু নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়, মানুষের মর্যাদা, গণতন্ত্র—প্রতিটি ধারণাকে গুটিকয় ইংরেজি-শিক্ষিত, ধনীর বৈঠকখানা থেকে হাটেমাঠে, উঠোন-দাওয়ায় টেনে এনেছিল সংবাদ। আজও আনছে। নাগরিকও তা জানেন। বহু ছাইভস্মের মধ্যে এক কুচি সোনা যেমন ঝকঝক করে ওঠে, তেমনই প্রচারের ভুষোমালের মধ্যে থেকে একটা সাচ্চা খবর। চোখে পড়লেই মনে গেঁথে যায়। বিশ্বাস হয়ে যদি থাকে খায়রুল আলম রফিকের লেখা খবর। পাশপাশি সাংবাদিকের অধিকার নিয়ে লড়াইও তিনি লড়ে যাচ্ছেন। সাংবাদিককে তার কাজ থেকে, নাগরিককে তার অধিকার থেকে, নির্বাসিত হতে দেবেন না।চোখে পড়লেই মনে গেঁথে যায় যদি থাকে খায়রুল আলম রফিক প্রকাশিত খবর।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ