শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্ব নদী দিব উপলক্ষে গলাচিপা “নেঙর” আয়োজনে রামনাবাদ নদী পরিদর্শন তালা প্রতীক নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মাসুদ আলম খান। দক্ষিণ এশিয়া বিজনেস এ্যাওয়ার্ড পেলেন এস.এম জাকির হোসেন এম ভি আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে সন্তান প্রসব, পরিবারের জন্য আজীবন ভাড়া ফ্রী গলাচিপার কৃতি সন্তান মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন। রাজৈরে ভোটঘর সোশ্যাল ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মানিকগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁদমারিতে সংঘাত-রক্তপাত, বেপরোয়া আলামিন বাহিনীর বিরুদ্ধে তিন মামলা জেলা পরিষদ নির্বাচনে কামরুলকে প্রার্থী করতে ইউপি সদস্যদের জোট

দৃষ্টি অন্তর্ভেদী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জন্মদিন আজ

অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জন্মদিন আজ। তার দৃষ্টি অন্তর্ভেদী, সেই দেখাই তার লেখাকে দিয়েছে বাড়তি সমীহ। তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বৃত্তে সমাজের বিশিষ্টরা। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্ক তার সাংবাদিক সত্তাকে কখনো আচ্ছন্ন করে না। সদা হাস্যোজ্জ্বল হিসেবে নিজেকে সহজ করে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করেন খায়রুল আলম রফিক। বয়স বা পদের গুরুদায়িত্ব তাকে কোনো দিন অনুজদের কাছে অচেনা করে রাখে না। দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম রফিককে সহযোদ্ধারা কাছের মানুষ ভাবতেও তাই সময় লাগেনি। উজ্জ্বল দৃষ্টি, আর অবিন্যস্ত ক্লিনশেভের ফাঁকে একটু ফিচেল হাসির রেখা। সবমিলিয়ে এটাই হলো খায়রুল আলম রফিকের মলাট। পাতা ওল্টালে ভরপুর গল্প, মজা, অভিজ্ঞতার নানা কাহিনিতে শিখে নেওয়ার উপকরণ তিনি। এখন তিনি দায়িত্বে আছেন- বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) সভাপতি, ২৪ ঘণ্টা নিউজের এডিটর-ইন-চিফ, বাংলাদেশ মানবতা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে। সদা ব্যস্ত থাকেন শিখর চূড়ায় তার লেখালিখি নিয়ে। নিতান্ত মামুলি রিপোর্টারা দৌড়ে বেড়ান নিজেদের অ্যাসাইনমেন্টে। কিন্তু সেই ফাঁকটা ভরাট করে কাছে আসার রাস্তাটা খুলে দিয়েছেন তিনি নিজেই। তাই অল্প দিনেই তিনি সকল সাংবাদিকদেরও কাছের মানুষ। চাক্ষুষ পরিচয়ের অনেকের চোখে হিরো খায়রুল আলম রফিক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদী সাংবাদিকতা, অভিজ্ঞতার অফুরান ভাণ্ডারি খায়রুল আলম রফিক। তিনি প্রধানত রিপোর্টার। দেখার চোখ অন্তর্ভেদী। একই জায়গায় দশজন যা দেখেন, খায়রুল আলম রফিক দেখেন অন্যরকম। আর সেই দেখাটাই তার লেখাকে দিয়েছে বাড়তি সমীহ। সহযোদ্ধাদেরও উপদেশ দেন, যখন কোথাও যাবেন, নিজের মতো করে কিছু একটা দেখার চেষ্টা করবেন। যাতে রিপোর্টে নিজস্ব ছাপথাকে। অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়। শুধু লেখার হুলনয়, নিছক মজায় বসদের জ্বালাতন করাতেও খায়রুল আলম রফিকের জুড়ি মেলা ভার। চিফ রিপোর্টার তো দূরস্থান, খোদ সংবাদপত্রের সম্পাদকদেরও সেই জ্বালা সইতে হয়েছে। তবে সবই বিশুদ্ধ রসিকতা। আর বড়রা সেটা বুঝেন, উপভোগও করেন। বাস্তবে বাড়ি-গাড়ি-সংসার বিষয়ে খায়রুল আলম রফিক চরম উদাসীন। সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক সংবাদিকতার প্রতিটি স্তরে কৃতী। সাংবাদিকতার স্বীকৃতিতে বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। রিপোর্টার খায়রুল আলম রফিকের পরিচিতির জগৎ স্বাভাবিকভাবেই বিস্তৃত। তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বৃত্তে বিখ্যাত ব্যক্তিগণ । সেখানে দল,মত, গোষ্ঠীর কোনো নেই বাছবিচার। তবে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক কখনো তার সাংবাদিক সত্তাকে আচ্ছন্ন করে না। যা উচিত বলে মনে করেন পরম বন্ধুর বিরুদ্ধে হলেও সে কথা লিখতে তার দ্বিধা নেই। এই আপসহীনতাই খায়রুল আলম রফিকে এগিয়ে এনেছে । জনপদকে সংবাদ থেকে বিচ্ছিন্ করার ষড়যন্ত্রকারীদের লিখনিতে বুঝিয়ে দেন, সাংবাদিককে তার কাজ থেকে, নাগরিককে তার অধিকার থেকে, নির্বাসিত হতে দেবেন না। খবর থাকলে ভুলও থাকবে। থাকবে একশো আপত্তির, ছশো অনুযোগ। আগেও সংবাদপত্রে কুৎসিত কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে তাঁবেদারি, সবই ছিল। তবু নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়, মানুষের মর্যাদা, গণতন্ত্র—প্রতিটি ধারণাকে গুটিকয় ইংরেজি-শিক্ষিত, ধনীর বৈঠকখানা থেকে হাটেমাঠে, উঠোন-দাওয়ায় টেনে এনেছিল সংবাদ। আজও আনছে। নাগরিকও তা জানেন। বহু ছাইভস্মের মধ্যে এক কুচি সোনা যেমন ঝকঝক করে ওঠে, তেমনই প্রচারের ভুষোমালের মধ্যে থেকে একটা সাচ্চা খবর। চোখে পড়লেই মনে গেঁথে যায়। বিশ্বাস হয়ে যদি থাকে খায়রুল আলম রফিকের লেখা খবর। পাশপাশি সাংবাদিকের অধিকার নিয়ে লড়াইও তিনি লড়ে যাচ্ছেন। সাংবাদিককে তার কাজ থেকে, নাগরিককে তার অধিকার থেকে, নির্বাসিত হতে দেবেন না।চোখে পড়লেই মনে গেঁথে যায় যদি থাকে খায়রুল আলম রফিক প্রকাশিত খবর।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ