রবিবার, ১২ জুন ২০২২, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আদালতের অনুমতি নিয়ে বিদেশ যেতে পারবেন খালেদা জিয়া:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চীফ হুইপের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ। উলানিয়া বন্দরে ইজারাদারের বিরুদ্ধে জোর জলুমের অভিযোগ, ব্যাবসায়ীরা হুমকির পথে ভোলা চরফ্যাশনে শশীভুশন থানাধীন বিশ্ব নবীকে কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ গলাচিপায় এ কেমন শত্রুতা, গৃহপালিত প্রাণী গরু কুপিয়ে জখম ! বরিশালে লাভ ফর ফ্রেন্ডস এর উদ্দ্যাগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ডিবিসি নিউজের সংবাদকর্মীআব্দুল বারীকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন করোনা শনাক্ত দেশে বাড়ছে দশমিনা চরবোরহানে ভোটারদের বাড়ি ঘরে গভীর রাতে হামলার অভিযোগ, নেই কোন প্রতিকার !

পটুয়াখালীতে কলেজছাত্রকে উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করল তরুণী

 

পটুয়াখালীতে নাজমুল আকন (২৩) নামের এক কলেজছাত্রকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে ইশরাত জাহান পাখি (২৫) নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নাজমুল বাদী হয়ে গত ৩ অক্টোবর পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় পাখিসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মো. আমিরুল ইসলাম মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

নাজমুল আকন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মো. জালাল আকনের ছেলে ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। অভিযুক্ত ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজীপুর এলাকার আবদুল আউয়ালের মেয়ে।

নাজমুল আকনকে অপহরণ ও জোর করে বিয়ে করার একটি ভিডিও ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। যাতে দেখা যায়, একটি কক্ষে এক তরুণীর (ইশরাত জাহান পাখি) বাম পাশে নাজমুল বসে আছেন, পেছন থেকে নাজমুলের ঘাড় এক ব্যক্তি চেপে ধরে রেখেছে। সেখানে আরও একজনকে উপস্থিত দেখা যায়। ওই সময় ওই তরুণীকে নীল কাগজে সই করতে দেখা যায়। সই গ্রহণের পর নাজমুলকে মিষ্টি খাইয়ে দিলে নাজমুল তা মুখ থেকে ফেলে দেন।

মামলা দায়েরের পর গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে পাখি নিজেকে নাজমুলের স্ত্রী দাবি করে নাজমুলের বাবার বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

নাজমুল আকনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল-নোমান জানান, নাজমুল পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসে থাকেন। আসামি পাখি দীর্ঘদিন ধরে তাকে মোবাইল ফোনে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। নাজমুল এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে চোখ বেঁধে অপহরণ করে পাখি ও তার লোকজন। পরের দিন ২৮ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সাত-আট জন ব্যক্তি জোর করে তাকে একটি নীল কাগজে সই করতে বাধ্য করে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই কাগজ দিয়ে ওই তরুণী কাবিননামা তৈরির পায়তারা করছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পাখি বলেন, ‘নাজমুলের সঙ্গে আমার দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নাজমুল নিজ ইচ্ছায় আমাকে বিয়ে করেছে। এ কারণে বর্তমানে আমি ওর বাড়িতে অবস্থান করছি। এখানে অপহরণ কিংবা জোর করে বিয়ে করার যে অভিযোগ ওঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ