মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নবীজিকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। চরফ্যাশনে চর মাদ্রাজ ৪ নং ওয়ার্ডের রাসেল দেওয়ানের ফুটবল মার্কার উঠান বৈঠক। চট্টগ্রামে ২ মাদক পাচারকারী আটক ফরিদপুরের নিখোঁজ মুসলিম প্রেমিকাসহ হিন্দু যুবক আবাসিক হোটেলে! ভোলা চরফ্যাশনে বিশ্ব নবীকে কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে ওলামা ও আইম্যা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।। গলাচিপায় বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী তক্ষক সহ আটক -১ নারী শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওমর সানীকে গুলি করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ কোনোদিন কারও কাছে মাথানত করিনি:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভোলা চরফ্যাশনে শিশু ইসানকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হাই গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শক্তিশালী বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও রমনা বটমূলে বোমা হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আব্দুল হাইকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার আব্দুল হাই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হুরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) প্রতিষ্ঠাতা আমির। তিনি একাধিক মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত।

বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-২ একটি দল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব সদরদপ্তরের একটি সূত্র। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানায় সূত্রটি।

২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা হয়। তার সমাবেশস্থলের পাশে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট এ মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম ওই মামলায় ১০ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি দেন। আদালত গুলি করে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। এছাড়াও চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

অন্যদিকে ২০০১ সালে পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত ও ২০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে সিআইডির পরিদর্শক আবু হেনা মো. ইউসুফ আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে ২০১৪ সালের ২৩ জুন এই মামলায় হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, মুফতি আব্দুল হাই, বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত।

 



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ