রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্ব নদী দিব উপলক্ষে গলাচিপা “নেঙর” আয়োজনে রামনাবাদ নদী পরিদর্শন তালা প্রতীক নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মাসুদ আলম খান। দক্ষিণ এশিয়া বিজনেস এ্যাওয়ার্ড পেলেন এস.এম জাকির হোসেন এম ভি আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে সন্তান প্রসব, পরিবারের জন্য আজীবন ভাড়া ফ্রী গলাচিপার কৃতি সন্তান মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন। রাজৈরে ভোটঘর সোশ্যাল ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মানিকগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁদমারিতে সংঘাত-রক্তপাত, বেপরোয়া আলামিন বাহিনীর বিরুদ্ধে তিন মামলা জেলা পরিষদ নির্বাচনে কামরুলকে প্রার্থী করতে ইউপি সদস্যদের জোট

রাস্তা সংস্কারের এক মাসেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং!

রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় এলজিইডির অর্থায়ণে নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে ৯টি রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাস্তা সংস্কারের এক মাসেই হাত দিয়ে টানলেই পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মিলেমিশে এসব ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতি করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে গোকুল দরগাতলা মোড় থেকে তালন্দ বাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার (রিপিয়ারিং) পিচ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন নবনির্বাচিত মেয়র ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল হক।

এভাবে পৌরসভার তালন্দ উপরপাড়া (বাহ্যাড়্যা), ধানতৈড় মোড় থেকে রফিকের বাড়ি, গুবিরপাড়া মহল্লার এই মাথা থেকে ওই মাথা হয়ে আহম্মদের বাড়ি থেকে সিন্দুকাই মাঠ, বাবুর গ্যারেজ থেকে তানোর (কুঠিপাড়া) পোস্ট অফিস, গোল্লাপাড়া বাজার থেকে ভিতরে মসজিদ, আমশো তাঁতিয়ালপাড়া আজাদের কারখানা থেকে আলফাজের বাড়ি ও কাশিমবাজার আক্কাচের দোকান থেকে ভদ্রখণ্ড মসজিদ পর্যন্ত সবমিলে ২২০০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদার আবুল হাসনাথ।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বাড়ানো হয়। এতে এখনো শেষ হয়নি রাস্তা নির্মাণ কাজ। ফলে কোথাও রাস্তা খুঁড়ে আবার কোথাও ভারিবর্ষণে গর্তে জলাবদ্ধার সৃষ্টি হওয়ায় ওইসব পাড়া মহল্লায় মানুষের চলাচলে দুর্গতি নেমে এসেছে। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী মহল্লাবাসীর।

অপরদিকে, চলতি অর্থবছরে পৌরসভার থোক (এডিপি) বরাদ্দের ৬০ লাখ টাকা কাজের পত্রিকায় কোনো টেন্ডার আহবান করা হয়নি। মেয়র অতি গোপনে নিয়মের বাইরে কোটেশন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার নিজ ভাই রানা ছাড়াও আস্থাভাজন ব্যক্তিদের মাধ্যমে ড্রেন ও প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ ছাড়াও বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দিয়ে পৌরসভার থোক বরাদ্দের টাকা তসরুফ করছেন।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতি বা নিম্নমাণের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। তবে, এখানে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

মেয়র ফোন করে ডেকে ফাইলপত্রে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু অনেক সময় ভারি যানবাহন ব্যবহারে রাস্তার কার্পেটিং উঠে যেতে পারে বলে এড়িয়ে যান তিনি।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র ইমরুল হক বলেন, রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার আর নির্মাণে ভালমন্দ বোঝেন ইঞ্জিনিয়ার। কেউ ম্যানেজ হয়ে রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতি করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ