রবিবার, ১২ জুন ২০২২, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আদালতের অনুমতি নিয়ে বিদেশ যেতে পারবেন খালেদা জিয়া:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চীফ হুইপের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ। উলানিয়া বন্দরে ইজারাদারের বিরুদ্ধে জোর জলুমের অভিযোগ, ব্যাবসায়ীরা হুমকির পথে ভোলা চরফ্যাশনে শশীভুশন থানাধীন বিশ্ব নবীকে কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ গলাচিপায় এ কেমন শত্রুতা, গৃহপালিত প্রাণী গরু কুপিয়ে জখম ! বরিশালে লাভ ফর ফ্রেন্ডস এর উদ্দ্যাগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ডিবিসি নিউজের সংবাদকর্মীআব্দুল বারীকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন করোনা শনাক্ত দেশে বাড়ছে দশমিনা চরবোরহানে ভোটারদের বাড়ি ঘরে গভীর রাতে হামলার অভিযোগ, নেই কোন প্রতিকার !

রাস্তা সংস্কারের এক মাসেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং!

রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় এলজিইডির অর্থায়ণে নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে ৯টি রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাস্তা সংস্কারের এক মাসেই হাত দিয়ে টানলেই পিচ ও পাথর উঠে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মিলেমিশে এসব ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতি করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে গোকুল দরগাতলা মোড় থেকে তালন্দ বাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার (রিপিয়ারিং) পিচ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন নবনির্বাচিত মেয়র ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল হক।

এভাবে পৌরসভার তালন্দ উপরপাড়া (বাহ্যাড়্যা), ধানতৈড় মোড় থেকে রফিকের বাড়ি, গুবিরপাড়া মহল্লার এই মাথা থেকে ওই মাথা হয়ে আহম্মদের বাড়ি থেকে সিন্দুকাই মাঠ, বাবুর গ্যারেজ থেকে তানোর (কুঠিপাড়া) পোস্ট অফিস, গোল্লাপাড়া বাজার থেকে ভিতরে মসজিদ, আমশো তাঁতিয়ালপাড়া আজাদের কারখানা থেকে আলফাজের বাড়ি ও কাশিমবাজার আক্কাচের দোকান থেকে ভদ্রখণ্ড মসজিদ পর্যন্ত সবমিলে ২২০০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদার আবুল হাসনাথ।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বাড়ানো হয়। এতে এখনো শেষ হয়নি রাস্তা নির্মাণ কাজ। ফলে কোথাও রাস্তা খুঁড়ে আবার কোথাও ভারিবর্ষণে গর্তে জলাবদ্ধার সৃষ্টি হওয়ায় ওইসব পাড়া মহল্লায় মানুষের চলাচলে দুর্গতি নেমে এসেছে। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী মহল্লাবাসীর।

অপরদিকে, চলতি অর্থবছরে পৌরসভার থোক (এডিপি) বরাদ্দের ৬০ লাখ টাকা কাজের পত্রিকায় কোনো টেন্ডার আহবান করা হয়নি। মেয়র অতি গোপনে নিয়মের বাইরে কোটেশন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার নিজ ভাই রানা ছাড়াও আস্থাভাজন ব্যক্তিদের মাধ্যমে ড্রেন ও প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণ ছাড়াও বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দিয়ে পৌরসভার থোক বরাদ্দের টাকা তসরুফ করছেন।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতি বা নিম্নমাণের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। তবে, এখানে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

মেয়র ফোন করে ডেকে ফাইলপত্রে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু অনেক সময় ভারি যানবাহন ব্যবহারে রাস্তার কার্পেটিং উঠে যেতে পারে বলে এড়িয়ে যান তিনি।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র ইমরুল হক বলেন, রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার আর নির্মাণে ভালমন্দ বোঝেন ইঞ্জিনিয়ার। কেউ ম্যানেজ হয়ে রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতি করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ