সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্ব নদী দিব উপলক্ষে গলাচিপা “নেঙর” আয়োজনে রামনাবাদ নদী পরিদর্শন তালা প্রতীক নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মাসুদ আলম খান। দক্ষিণ এশিয়া বিজনেস এ্যাওয়ার্ড পেলেন এস.এম জাকির হোসেন এম ভি আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে সন্তান প্রসব, পরিবারের জন্য আজীবন ভাড়া ফ্রী গলাচিপার কৃতি সন্তান মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন। রাজৈরে ভোটঘর সোশ্যাল ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মানিকগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁদমারিতে সংঘাত-রক্তপাত, বেপরোয়া আলামিন বাহিনীর বিরুদ্ধে তিন মামলা জেলা পরিষদ নির্বাচনে কামরুলকে প্রার্থী করতে ইউপি সদস্যদের জোট

হাওয়া ভবন থেকে এক-এগারোর ক্যু করানো হয় : সেলিম মাহমুদ

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেছেন, ‘এক-এগারো ছিল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি ব্যাকআপ ক্যু—অর্থাৎ ক্যু উইদিন দ্য ক্যু l’

তিনি বলেন, ‘২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার ও কারান্তরীণ করার বিষয়টিকে অনেকেই নিছক মাইনাস-টু তত্ত্ব বলে প্রচার করে আসছে। এটি মাইনাস-টু তত্ত্ব ছিল না। বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যতকে নস্যাৎ করার জন্যে এবং মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মহান আদর্শের বিপরীতে দেশ পরিচালনার লক্ষে এটি ছিল ধারাবাহিক গভীর ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন।’

শুক্রবার (১৬ জুলািই) ড. সেলিম মাহমুদ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সেদিন এ দেশের ছাত্র-জনতা, আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর প্রতিবাদ আর শেখ হাসিনার প্রতি অভূতপূর্ব আন্তর্জাতিক সমর্থনের কারণে এক-এগারোর সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল। একটি বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে—এক-এগারোর ঘটনা ছিল একটি ব্যাকআপ প্ল্যান অর্থাৎ একটি ঘটনা ঘটানোর পর সেটি ব্যর্থ হলে পরবর্তী ঘটনা হিসেবে এটি ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।’

ড. সেলিম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে ক্যু করানোর মূল উদ্দেশ্যই ছিল বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারেন। হাওয়া ভবনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামাত এই ষড়যন্ত্রে ইন্ধন জুগিয়েছিল রাষ্ট্রযন্ত্রে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগবিরোধী গোষ্ঠী। এই ক্যু বাস্তবায়নে তারাই কাজ করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘এই গোষ্ঠী যখন দেখল—শেখ হাসিনার প্রতি এ দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে এবং তারাই তাকে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করবে আর ইয়াজ উদ্দিনের সরকার কোনোভাবেই এটি প্রতিরোধ করতে পারবে না। ঠিক তখনই ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তারা তাদের ব্যাক-আপ প্ল্যান বাস্তবায়ন করল। অর্থাৎ ক্যু উইদিন দ্য ক্যু ঘটাল।’

কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম-আহ্বায়ক সোহাগ উদ্দিন। আলোচনায় অংশ নেন যুগ্ম-আহ্বায়ক শুভজিত দাস, সাইফুল ইসলাম সৌরভ, সোহাগ হোসাইন, সুজন দাস, ফয়সাল ভুঁইয়া, শাকিল মুন্সী তাবির এবং মোসলেহ উদ্দিন রিমু প্রমুখ।



আমাদের ফেসবুক পেজ
ব্রেকিং নিউজ