ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কমলাপুর ইউনিয়নে নেদারল্যান্ডস কোম্পানির ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক সদস্যের সাথে প্রতারণায় স্থানীয় সদস্যরা মানববন্ধন করেন

মিঠুন পাল, (পটুয়াখালী):
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
সময়কাল এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর বলইকাঠী এলাকায় নেদারল্যান্ডস কোম্পানির ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক সদস্যদের সাথে ম্যাক্স ট্যাপ ওয়াটার ট্যাংক বসিয়ে প্রতারণা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর বলইকাঠী এলাকায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্মিত ম্যাক্স ট্যাপ ওয়াটার নামক একটি ট্যাংকি ৩০ ফুট উচ্চতায় বসানো হয় এবং গলাচিপার কালারাজা,হোগলবুনিয়া বসানো হয়। এই ট্যাংকি দ্বারা এলাকার ৬৪ জন সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে পানি দেওয়ার কথা থাকলেও তাদের সাথে কথা হয় বিদ্যুৎ বিল ও অপারেটর বাবদ কিছু অর্থ দেওয়ার কথায় সদস্যরা রাজি হয়। কিন্তু তারা পানির লাইন বাবদ ২ থেকে ৩ হাজার করে টাকা নেয় যা এক রকম জালিয়াতি ও প্রতারণা বলে জানান। কথা থাকা শর্তেও ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পরেই তাদের চিত্র উল্টে যায়। বর্তমানে তারা প্রতিটি সদস্যের কাছে পানির মিটার বসানোর জন্য বলে এবং অনেককে মিটার বসিয়ে দেন। কিন্তু এতেই ব্যঘাত ঘটে সদস্যদের মাঝে। যেখানে বিনামূল্যে পানি দেওয়ার কথা,সেখানে বিদ্যুৎ বিল, অপারেটর বেতন সবই দেয়া হলো। এখন বর্তমানে পানির মিটার বসিয়ে ২৬ টাকা প্রতি ইউনিট বিল এবং ১৫% ভ্যাট বসানো হয়। এবিষয়ে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এর রিজওনাল কো-অর্ডিনেটর অপূর্ব পাল ও ঢাকা থেকে আগত ওয়াটার স্পেসেলাইস্ট অনুশা হক এর ছবি তোলায় সাংবাদিকের সাথে কথা কাটাকাটি করের এবং সাংবাদিকের হাত থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি ডিলেট করেন এবং এক ফাকে অনুশা হক সর্টকে পরে তাকে আর পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্য দিকে উপস্থিত অন্যজন অপূর্ব পাল তিনি এই পানির মিটার বসানোর কারন ও আগের দেয়া কথা না রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও ঐ স্থান থেকে পালাতে চায়। স্থানীয় সদস্যদের কারনে তিনি আর পালাতে পারেনি এছাড়া ইউনিট অপারেটর সুমাইয়া আক্তার সাম্মী সদস্য ও সাংবাদিকদের সঙ্গে খারাপ আচারও করেন। পরে পানি নিয়ে কোন সমাধানে না আসলে স্থানীয় সদস্যরা মানববন্ধন করেন এবং স্থানীয় সদস্য মোঃ নূরু সিকদার, মোঃ জাকির হোসেন, নজরুল আকন, নাজমা মল্লিক ও মিজান মৃধা সহ আরো অনেকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।তারা আরো জানান কমলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর ও ঢাকা ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন ইউনিট অপারেটর সুমাইয়া আক্তার সাম্মীর বিরুদ্ধে। তবে এবিষয়টি নিয়ে ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি নয় আগত কর্মকর্তা অনুশা হক ও অপূর্ব পাল এবং অনুশা হক বক্তব্য না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কমলাপুর ইউনিয়নে নেদারল্যান্ডস কোম্পানির ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক সদস্যের সাথে প্রতারণায় স্থানীয় সদস্যরা মানববন্ধন করেন

আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর বলইকাঠী এলাকায় নেদারল্যান্ডস কোম্পানির ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক সদস্যদের সাথে ম্যাক্স ট্যাপ ওয়াটার ট্যাংক বসিয়ে প্রতারণা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর বলইকাঠী এলাকায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্মিত ম্যাক্স ট্যাপ ওয়াটার নামক একটি ট্যাংকি ৩০ ফুট উচ্চতায় বসানো হয় এবং গলাচিপার কালারাজা,হোগলবুনিয়া বসানো হয়। এই ট্যাংকি দ্বারা এলাকার ৬৪ জন সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে পানি দেওয়ার কথা থাকলেও তাদের সাথে কথা হয় বিদ্যুৎ বিল ও অপারেটর বাবদ কিছু অর্থ দেওয়ার কথায় সদস্যরা রাজি হয়। কিন্তু তারা পানির লাইন বাবদ ২ থেকে ৩ হাজার করে টাকা নেয় যা এক রকম জালিয়াতি ও প্রতারণা বলে জানান। কথা থাকা শর্তেও ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পরেই তাদের চিত্র উল্টে যায়। বর্তমানে তারা প্রতিটি সদস্যের কাছে পানির মিটার বসানোর জন্য বলে এবং অনেককে মিটার বসিয়ে দেন। কিন্তু এতেই ব্যঘাত ঘটে সদস্যদের মাঝে। যেখানে বিনামূল্যে পানি দেওয়ার কথা,সেখানে বিদ্যুৎ বিল, অপারেটর বেতন সবই দেয়া হলো। এখন বর্তমানে পানির মিটার বসিয়ে ২৬ টাকা প্রতি ইউনিট বিল এবং ১৫% ভ্যাট বসানো হয়। এবিষয়ে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এর রিজওনাল কো-অর্ডিনেটর অপূর্ব পাল ও ঢাকা থেকে আগত ওয়াটার স্পেসেলাইস্ট অনুশা হক এর ছবি তোলায় সাংবাদিকের সাথে কথা কাটাকাটি করের এবং সাংবাদিকের হাত থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি ডিলেট করেন এবং এক ফাকে অনুশা হক সর্টকে পরে তাকে আর পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্য দিকে উপস্থিত অন্যজন অপূর্ব পাল তিনি এই পানির মিটার বসানোর কারন ও আগের দেয়া কথা না রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও ঐ স্থান থেকে পালাতে চায়। স্থানীয় সদস্যদের কারনে তিনি আর পালাতে পারেনি এছাড়া ইউনিট অপারেটর সুমাইয়া আক্তার সাম্মী সদস্য ও সাংবাদিকদের সঙ্গে খারাপ আচারও করেন। পরে পানি নিয়ে কোন সমাধানে না আসলে স্থানীয় সদস্যরা মানববন্ধন করেন এবং স্থানীয় সদস্য মোঃ নূরু সিকদার, মোঃ জাকির হোসেন, নজরুল আকন, নাজমা মল্লিক ও মিজান মৃধা সহ আরো অনেকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।তারা আরো জানান কমলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর ও ঢাকা ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন ইউনিট অপারেটর সুমাইয়া আক্তার সাম্মীর বিরুদ্ধে। তবে এবিষয়টি নিয়ে ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি নয় আগত কর্মকর্তা অনুশা হক ও অপূর্ব পাল এবং অনুশা হক বক্তব্য না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।