ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুরাইশী হৃদরোগের আক্রান্তে মৃত্যুবরণ করেন ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও থেকে।
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
সময়কাল এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী হৃদ রোগের আক্রান্তে মৃত্যুবরণ করেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা উত্তরায় মেয়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আলম টুলু সাংবাদিকদেরকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।১৯৬০ সালের ৩১ আগস্ট ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ইসলাম নগর খানকা শরীফে তিনি জন্ম নেন। ইসলাম নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। ১৯৭৫ সালে ইসলাম নগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৭৭ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৭৯ সালে বিএ পাস করেন তিনি। সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের সামরিক আইন জারির সময় গণতন্ত্রের জন্য ছাত্রদের সুসংগঠিত করে সভা, সমাবেশ মিছিল সহ বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন সংগ্রামও লিপ্ত ছিলেন তিনি। সেই সময়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ায় আন্দোলনে আরো কার্যকরী হন মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী। আন্দোলনের পর পুনরায় চাকরিতে যোগ দেন অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ। ১৯৮২-৮৩ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ১৯৮৪-৮৬ সাল পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯১ সালে দায়িত্ব পান ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের। এরপর ১৯৯৪ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০১ সালে দলীয় কোন্দলে দল জড়িয়ে পড়ে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগ। কেন্দ্র থেকে ভেঙে দেওয়া হয় কমিটি। সাদেক কুরাইশী ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদে থেকে কোন্দল দূর করে দলকে সুসংগঠিত করেন। ২০০৫ সালের দলীয় কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেন সাদেক কুরাইশীকে। সবশেষ ২০১৫ সালের আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৯ ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুরাইশী হৃদরোগের আক্রান্তে মৃত্যুবরণ করেন ।

আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী হৃদ রোগের আক্রান্তে মৃত্যুবরণ করেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা উত্তরায় মেয়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আলম টুলু সাংবাদিকদেরকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।১৯৬০ সালের ৩১ আগস্ট ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ইসলাম নগর খানকা শরীফে তিনি জন্ম নেন। ইসলাম নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। ১৯৭৫ সালে ইসলাম নগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৭৭ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৭৯ সালে বিএ পাস করেন তিনি। সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের সামরিক আইন জারির সময় গণতন্ত্রের জন্য ছাত্রদের সুসংগঠিত করে সভা, সমাবেশ মিছিল সহ বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন সংগ্রামও লিপ্ত ছিলেন তিনি। সেই সময়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ায় আন্দোলনে আরো কার্যকরী হন মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী। আন্দোলনের পর পুনরায় চাকরিতে যোগ দেন অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ। ১৯৮২-৮৩ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ১৯৮৪-৮৬ সাল পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯১ সালে দায়িত্ব পান ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের। এরপর ১৯৯৪ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০১ সালে দলীয় কোন্দলে দল জড়িয়ে পড়ে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগ। কেন্দ্র থেকে ভেঙে দেওয়া হয় কমিটি। সাদেক কুরাইশী ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদে থেকে কোন্দল দূর করে দলকে সুসংগঠিত করেন। ২০০৫ সালের দলীয় কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেন সাদেক কুরাইশীকে। সবশেষ ২০১৫ সালের আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৯ ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী।