ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দবিরুল ইসলামের স্ত্রীর মৃত্যু !

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৬১ বার পড়া হয়েছে
সময়কাল এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দবিরুল ইসলামের স্ত্রীর মৃত্যু !

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত অ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম এম,এল,এর স্ত্রী আবেদা খাতুন হেনা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৭ বছর।
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং- পাড়িয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে জানাজা শেষে মরহুমের দাফন কার্য সম্পন্ন করা হবে। ভাষাসৈনিক দবিরুল ইসলামের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ ফিলিপ বলেন, বার্ধ্যকজনিত কারণে আমার মা অসুস্থ ছিলেন। তাকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। ৯ সেপ্টেম্বর সকালে আমার মা মারা যান। সকলে তার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।
ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্রথম কাউন্সিল অধিবেশনে দবিরুল ইসলাম সংগঠনের সভাপতি (১৯৪৯-১৯৫৩) নির্বাচিত হন। সেই সময় তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। দবিরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম সদস্য ও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহপাঠী দবিরুল ইসলামকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও থেকে এম,এল,এ নির্বাচিত হন। দবিরুল ইসলাম ১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রমবিষয়ক পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। জেলে পাকিস্তান সরকারের নির্মম নির্যাতনের কারণে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন দবিরুল ইসলাম। এ অবস্থায় ১৯৬১ সালের ১৩ জানুয়ারি মাত্র ৩৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বঙ্গবন্ধুর এই ঘনিষ্ঠ সহচর। বিয়ের মাত্র ১০ বছরের মাথায় ভাষাসৈনিক এবং বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বিশ্বস্ত সহচর দবিরুল ইসলামের মৃত্যুর পর চরম প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে ৪ সন্তানকে (এক মেয়ে ও তিন ছেলে) বড় করেন তার বিধবা স্ত্রী আবেদা খাতুন হেনা। বর্তমানে তার বয়স ৮৭।
তার বড় ছেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং – পাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুল, ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দবিরুল ইসলামের স্ত্রীর মৃত্যু !

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দবিরুল ইসলামের স্ত্রীর মৃত্যু !

ভাষাসৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত অ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম এম,এল,এর স্ত্রী আবেদা খাতুন হেনা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৭ বছর।
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং- পাড়িয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে জানাজা শেষে মরহুমের দাফন কার্য সম্পন্ন করা হবে। ভাষাসৈনিক দবিরুল ইসলামের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ ফিলিপ বলেন, বার্ধ্যকজনিত কারণে আমার মা অসুস্থ ছিলেন। তাকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। ৯ সেপ্টেম্বর সকালে আমার মা মারা যান। সকলে তার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।
ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্রথম কাউন্সিল অধিবেশনে দবিরুল ইসলাম সংগঠনের সভাপতি (১৯৪৯-১৯৫৩) নির্বাচিত হন। সেই সময় তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। দবিরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম সদস্য ও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহপাঠী দবিরুল ইসলামকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও থেকে এম,এল,এ নির্বাচিত হন। দবিরুল ইসলাম ১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রমবিষয়ক পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। জেলে পাকিস্তান সরকারের নির্মম নির্যাতনের কারণে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন দবিরুল ইসলাম। এ অবস্থায় ১৯৬১ সালের ১৩ জানুয়ারি মাত্র ৩৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বঙ্গবন্ধুর এই ঘনিষ্ঠ সহচর। বিয়ের মাত্র ১০ বছরের মাথায় ভাষাসৈনিক এবং বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বিশ্বস্ত সহচর দবিরুল ইসলামের মৃত্যুর পর চরম প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে ৪ সন্তানকে (এক মেয়ে ও তিন ছেলে) বড় করেন তার বিধবা স্ত্রী আবেদা খাতুন হেনা। বর্তমানে তার বয়স ৮৭।
তার বড় ছেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং – পাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুল, ।