ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

নাজিম উদ্দীন চরফ্যাশন
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
সময়কাল এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার চরফ্যাশনে স্বামীর বসত ঘরের নিজ শয়নকক্ষ থেকে সাথী বেগম নামের এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর বুধবার বিকাল ৫টায় শশীভূষণ থানা পুলিশ হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গৃহবধুর স্বামীর বসত ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনার পরপরই গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ ঘরে রেখে পালিয়ে গেলেন স্বামী সোহেল ও শ্বাশুরী। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, যুবক সোহেলের বোন চট্রগ্রামে থাকার সুবাধে প্রায় ৭ মাস আগে শশীভূষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত একাব্বর কাজীর ছেলে সোহেলের সাথে ওই তরুনীর বিয়ে হয়। বিয়ের পরে যুবক সোহেল স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। স্ত্রী সাথীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। দম্পত্যকলহ নিয়েই কেটে গেছে ৭ মাস। গতকাল বিকালে স্বামী সোহেলের সাথে দম্পত্যকলহের জের ধরেই গৃহবধু সাথী নিজ শয়ন কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন গৃহবধু সাথী। পরে গৃহবধুর শ্বাশুরী ঘরের আড়ার সঙ্গে পুত্র বধুর নিথর দেহ ঝুলতে দেখে ডাক চিৎকার দেন। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শশীভূষণ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ শয়ন কক্ষ থেকে ওই গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেন। গৃহবধুর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানাযায়নি। শশীভূষণ থানার ওসি ম. এনামূল হক জানান, খবর পেয়ে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পেলে মৃত্যুর আসল কারন জানাযাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

ভোলার চরফ্যাশনে স্বামীর বসত ঘরের নিজ শয়নকক্ষ থেকে সাথী বেগম নামের এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর বুধবার বিকাল ৫টায় শশীভূষণ থানা পুলিশ হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গৃহবধুর স্বামীর বসত ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনার পরপরই গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ ঘরে রেখে পালিয়ে গেলেন স্বামী সোহেল ও শ্বাশুরী। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, যুবক সোহেলের বোন চট্রগ্রামে থাকার সুবাধে প্রায় ৭ মাস আগে শশীভূষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত একাব্বর কাজীর ছেলে সোহেলের সাথে ওই তরুনীর বিয়ে হয়। বিয়ের পরে যুবক সোহেল স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। স্ত্রী সাথীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। দম্পত্যকলহ নিয়েই কেটে গেছে ৭ মাস। গতকাল বিকালে স্বামী সোহেলের সাথে দম্পত্যকলহের জের ধরেই গৃহবধু সাথী নিজ শয়ন কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন গৃহবধু সাথী। পরে গৃহবধুর শ্বাশুরী ঘরের আড়ার সঙ্গে পুত্র বধুর নিথর দেহ ঝুলতে দেখে ডাক চিৎকার দেন। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শশীভূষণ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ শয়ন কক্ষ থেকে ওই গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেন। গৃহবধুর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানাযায়নি। শশীভূষণ থানার ওসি ম. এনামূল হক জানান, খবর পেয়ে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পেলে মৃত্যুর আসল কারন জানাযাবে।