ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজদিখানে পুলিশি মামলার আসামি হয়ে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে শান্ত।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানাধীন লতব্দী ইউনিয়নের অন্তর্গত কংশপুরা মোড় সংলগ্ন অটো স্ট্যান্ডে ১৯/১২/২০২৫ তারিখ সকাল সাড়ে দশটায় পুলিশের কাজে বাধা ও জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশের উপর হামলা করা হলে ২০/১২/২০২৫ তারিখে পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ রাকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন যার মামলা নং ১৭ কিন্তু দুঃখের বিষয় ওই মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম শান্ত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট হওয়া সত্ত্বেও কোন ক্ষমতার বলে একজন মাদকাসক্ত ও নারী লোভী ব্যক্তি এখনো বহাল তবিয়তে পুলিশের নাকের ডগায় ঘুরতেছে তা জনমতে প্রশ্ন থেকে যায়। সাধারণ জনগণের বক্তব্য এই সাইফুল ইসলাম শান্তর কারণে আমরা ঠিক মতো কথা বলতে পারতাম না আমাদের উপরে অত্যাচার নির্যাতন চালানো হতো শান্ত ও তার ভাই রুবেলের কারণে এলাকার যুবতী মেয়ে ও অন্যের বউ গুলো ঠিক মতো রাস্তায় বের হতে পারতো না কি কারণে পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করছে না।

অনুসন্ধানে জানা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার রামকৃষ্ণদী গ্রামের বজলুর রহমান ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই মোঃ রুবেল এলাকায় সাধারণ জীবন যাপন করতেন। শান্তর বাবা বজলুর রহমানও ছিলেন বড় মাপের একজন দূর্নীতিবাজ এলাকা বাসী অভিযোগ করে রামকৃষ্ণদী গ্রামের সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন নির্মাণে ছাদ ঢালাইয়ের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই দেওয়ার প্রমান অডিটে ধরা খেলেও টাকা পয়সা ও তার আপন ভাই এসপি ফজলুর করিম খানের অনৈতিক সহায়তার কারনে পার পেয়ে যান।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় আনুমানিক ২০০১ সালে তাদের বাসায় কাজ করতেন একজন গৃহকর্মী। ওই সময় বাসায় থাকা গৃহকর্মীর প্রতি সাইফুলের খারাপ ললুপ দৃষ্টি পরে কিন্তু গৃহকর্মী নিজের সতীত্বের উপর অটুট থাকায় প্লান করে তাকে ভোগ করে গৃহকর্মীকে হত্যা করেন। এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ও তার ভাই রুবেল ছিলেন। বড় পরিতাপের বিষয় তখন সাইফুল ইসলাম এর আপন চাচা ফজলুর করিম খান রানিং এসপি থাকায় তার প্রভাব বিস্তার করে এই হত্যা মামলায় তাদের কিছুই করতে পারে নাই। হত্যা মামলার বাদী অত্যন্ত গরিব ও দুর্বল হওয়ায় এই মামলা ধামাচাপা পড়ে যায়।
পরবর্তীতে প্রায় তিন মাস পরে আদালতের নির্দেশে গৃহকর্মীর লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্ত করার জন্য চেষ্টা করা হলে সেখানেও এসপির প্রভাবে আর ময়না তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। তার চাচার কারনে ওই মামলার যাত্রায় তারা মুক্তি পায়।

এর পরে ঘটে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা যেই আপন চাচা এসপি ফজলুর করিম খান তাদের ভবিষ্যতের জন্য তার আইনের অসৎ প্রভাব বিস্তার করে তাদের হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি করাইলেন তারা দেবতার মতো এই চাচাকে ও ছাড়লেন না।
আপন চাচাকে ২০১২ সালে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। সেই হত্যা মামলার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই রুবেল উভয়ের নামে অভিযোগ হয়। বাবা হত্যার অভিযোগকারী তার মেয়ে বাঁধন বলেন, আমার বাবার কখনো কোন শত্রু ছিলোনা একমাত্র শত্রু ছিলেন আমার চাচাতো ভাই সাইফুল ও রুবেল আমার বাবাকে আমার চাচাতো ভাই সাইফুল ও রুবেল হত্যা করেছেন। এবং বাঁধন বলেন আমার বাবার এই হত্যার সাথে এরা জড়িত বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায় সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই রুবেল এক এক সময় এক একজন রাজনীতি ব্যাক্তির ছত্রছায়ায় থেকে শুরু করেন তাদের আধিপত্য। এলাকায় মাদক ব্যবসা, হিরুইন ব্যবসা এমনকি আওয়ামী রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা দেখিয়ে নামে মাত্র ফসলি জমির মালিক কে কিছু দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করতেন।
কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তাদের মামলার ভয় ও মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তাদের অনেককেই কোন টাকা পয়সা না দিয়ে মাটি কেটে নিতেন। তার এই সকল অপকর্মের কারণে আওয়ামী লীগ কখনো কোন পদ পদবী না দিলে ও তার ক্ষমতা ছিলো অনেক উর্ধ্বে। এই ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে আস্তে আস্তে তার অর্থ সম্পদ হতে শুরু করলে হয়ে পড়েন বিভিন্ন বাসার মেয়ে এবং ছেলের বউয়ের উপর কু প্রস্তাব দিয়ে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব, রাজি না হলে বিবাহের প্রস্তাব এরপর ও রাজি না হলে ক্ষমতা দেখিয়ে তুলে এনে ভোগ করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে হাতে কিছু টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন। নির্যাতিত এই সকল নারীরা ওর ভয়ে কখনো মুখ খুলতে নারাজ ছিলেন।
অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে তার চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য তারা দুই ভাইয়ের। একটি পরকীয়া ১০টি খুনের চেয়ে খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কর্মকাণ্ড যারা করে বা চেষ্টা করে, তারা খুনিদের মতোই অপরাধ করে। সাইফুল ইসলাম শান্ত এলাকার ভবি নামে এক মেয়ের সাথে পরকীয়ায় সম্পর্ক হলে অবাধে ওই বাড়িতে আসা যাওয়া করলে একাধিকবার এলাকার মানুষের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে। কিন্তু এলাকার মানুষ ওর ভয়ে কোন প্রতিবাদ করতে পারতো না।
তার ভাই রুবেল তার বাড়ির পাশের এক কুমারী মেয়ের বিবাহ আটকে দিয়ে ওই মেয়েকে নিজে বিবাহ করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ওই মেয়েকে বিবাহ না করেই ভোগ করে তার উপর চালায় অমানবিক নির্যাতন।
পরবর্তীতে রুবেল ঝুমা নামের এক মহিলা কে বিবাহ করার জন্য প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিলে প্রথম স্ত্রীর সাথে ঝামেলা হলে ওই ঝামেলা এখনো চলমান।
এতে তিনি ক্ষান্ত হননি রুবেল মরিয়ম নামের তার প্রতিবেশী তার সাথেও পরকিয়া সম্পর্কে অবাধে মিলা মিশা করতেন। যা পাড়া প্রতিবেশী কখনো ভয়ে কিছু বলতেন না।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন এত অপকর্ম ও মাডার মামলার আসামি এবং পুলিশ কে মারার মামলার আসামি হয়ে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করছে না। আমরা অতিদ্রুত এই কুলাঙ্গার আসামি কে গ্রেফতারের জোর দাবি জানাচ্ছি প্রশাসনের কাছে।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল হান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মামলার কিছু আসামি গ্রেফতার হয়েছে তবে আমি ও জানি এই মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম শান্ত এলাকায় কিছু অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে কিন্তু আত্মগোপনে থেকে আমরা অতিদ্রুত তাকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :
রমজান সময়সূচি

আজ ১২ রমজান

সেহরির শেষ: ০৫:০৪ AM

ইফতার শুরু: ৬:০৩ PM

Developed by Barishal Host

সিরাজদিখানে পুলিশি মামলার আসামি হয়ে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে শান্ত।

আপডেট সময় : ১১:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানাধীন লতব্দী ইউনিয়নের অন্তর্গত কংশপুরা মোড় সংলগ্ন অটো স্ট্যান্ডে ১৯/১২/২০২৫ তারিখ সকাল সাড়ে দশটায় পুলিশের কাজে বাধা ও জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশের উপর হামলা করা হলে ২০/১২/২০২৫ তারিখে পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ রাকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন যার মামলা নং ১৭ কিন্তু দুঃখের বিষয় ওই মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম শান্ত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট হওয়া সত্ত্বেও কোন ক্ষমতার বলে একজন মাদকাসক্ত ও নারী লোভী ব্যক্তি এখনো বহাল তবিয়তে পুলিশের নাকের ডগায় ঘুরতেছে তা জনমতে প্রশ্ন থেকে যায়। সাধারণ জনগণের বক্তব্য এই সাইফুল ইসলাম শান্তর কারণে আমরা ঠিক মতো কথা বলতে পারতাম না আমাদের উপরে অত্যাচার নির্যাতন চালানো হতো শান্ত ও তার ভাই রুবেলের কারণে এলাকার যুবতী মেয়ে ও অন্যের বউ গুলো ঠিক মতো রাস্তায় বের হতে পারতো না কি কারণে পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করছে না।

অনুসন্ধানে জানা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার রামকৃষ্ণদী গ্রামের বজলুর রহমান ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই মোঃ রুবেল এলাকায় সাধারণ জীবন যাপন করতেন। শান্তর বাবা বজলুর রহমানও ছিলেন বড় মাপের একজন দূর্নীতিবাজ এলাকা বাসী অভিযোগ করে রামকৃষ্ণদী গ্রামের সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন নির্মাণে ছাদ ঢালাইয়ের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই দেওয়ার প্রমান অডিটে ধরা খেলেও টাকা পয়সা ও তার আপন ভাই এসপি ফজলুর করিম খানের অনৈতিক সহায়তার কারনে পার পেয়ে যান।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় আনুমানিক ২০০১ সালে তাদের বাসায় কাজ করতেন একজন গৃহকর্মী। ওই সময় বাসায় থাকা গৃহকর্মীর প্রতি সাইফুলের খারাপ ললুপ দৃষ্টি পরে কিন্তু গৃহকর্মী নিজের সতীত্বের উপর অটুট থাকায় প্লান করে তাকে ভোগ করে গৃহকর্মীকে হত্যা করেন। এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ও তার ভাই রুবেল ছিলেন। বড় পরিতাপের বিষয় তখন সাইফুল ইসলাম এর আপন চাচা ফজলুর করিম খান রানিং এসপি থাকায় তার প্রভাব বিস্তার করে এই হত্যা মামলায় তাদের কিছুই করতে পারে নাই। হত্যা মামলার বাদী অত্যন্ত গরিব ও দুর্বল হওয়ায় এই মামলা ধামাচাপা পড়ে যায়।
পরবর্তীতে প্রায় তিন মাস পরে আদালতের নির্দেশে গৃহকর্মীর লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্ত করার জন্য চেষ্টা করা হলে সেখানেও এসপির প্রভাবে আর ময়না তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। তার চাচার কারনে ওই মামলার যাত্রায় তারা মুক্তি পায়।

এর পরে ঘটে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা যেই আপন চাচা এসপি ফজলুর করিম খান তাদের ভবিষ্যতের জন্য তার আইনের অসৎ প্রভাব বিস্তার করে তাদের হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি করাইলেন তারা দেবতার মতো এই চাচাকে ও ছাড়লেন না।
আপন চাচাকে ২০১২ সালে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। সেই হত্যা মামলার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই রুবেল উভয়ের নামে অভিযোগ হয়। বাবা হত্যার অভিযোগকারী তার মেয়ে বাঁধন বলেন, আমার বাবার কখনো কোন শত্রু ছিলোনা একমাত্র শত্রু ছিলেন আমার চাচাতো ভাই সাইফুল ও রুবেল আমার বাবাকে আমার চাচাতো ভাই সাইফুল ও রুবেল হত্যা করেছেন। এবং বাঁধন বলেন আমার বাবার এই হত্যার সাথে এরা জড়িত বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায় সাইফুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই রুবেল এক এক সময় এক একজন রাজনীতি ব্যাক্তির ছত্রছায়ায় থেকে শুরু করেন তাদের আধিপত্য। এলাকায় মাদক ব্যবসা, হিরুইন ব্যবসা এমনকি আওয়ামী রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা দেখিয়ে নামে মাত্র ফসলি জমির মালিক কে কিছু দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করতেন।
কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তাদের মামলার ভয় ও মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তাদের অনেককেই কোন টাকা পয়সা না দিয়ে মাটি কেটে নিতেন। তার এই সকল অপকর্মের কারণে আওয়ামী লীগ কখনো কোন পদ পদবী না দিলে ও তার ক্ষমতা ছিলো অনেক উর্ধ্বে। এই ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে আস্তে আস্তে তার অর্থ সম্পদ হতে শুরু করলে হয়ে পড়েন বিভিন্ন বাসার মেয়ে এবং ছেলের বউয়ের উপর কু প্রস্তাব দিয়ে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব, রাজি না হলে বিবাহের প্রস্তাব এরপর ও রাজি না হলে ক্ষমতা দেখিয়ে তুলে এনে ভোগ করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে হাতে কিছু টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন। নির্যাতিত এই সকল নারীরা ওর ভয়ে কখনো মুখ খুলতে নারাজ ছিলেন।
অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে তার চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য তারা দুই ভাইয়ের। একটি পরকীয়া ১০টি খুনের চেয়ে খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কর্মকাণ্ড যারা করে বা চেষ্টা করে, তারা খুনিদের মতোই অপরাধ করে। সাইফুল ইসলাম শান্ত এলাকার ভবি নামে এক মেয়ের সাথে পরকীয়ায় সম্পর্ক হলে অবাধে ওই বাড়িতে আসা যাওয়া করলে একাধিকবার এলাকার মানুষের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে। কিন্তু এলাকার মানুষ ওর ভয়ে কোন প্রতিবাদ করতে পারতো না।
তার ভাই রুবেল তার বাড়ির পাশের এক কুমারী মেয়ের বিবাহ আটকে দিয়ে ওই মেয়েকে নিজে বিবাহ করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ওই মেয়েকে বিবাহ না করেই ভোগ করে তার উপর চালায় অমানবিক নির্যাতন।
পরবর্তীতে রুবেল ঝুমা নামের এক মহিলা কে বিবাহ করার জন্য প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিলে প্রথম স্ত্রীর সাথে ঝামেলা হলে ওই ঝামেলা এখনো চলমান।
এতে তিনি ক্ষান্ত হননি রুবেল মরিয়ম নামের তার প্রতিবেশী তার সাথেও পরকিয়া সম্পর্কে অবাধে মিলা মিশা করতেন। যা পাড়া প্রতিবেশী কখনো ভয়ে কিছু বলতেন না।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন এত অপকর্ম ও মাডার মামলার আসামি এবং পুলিশ কে মারার মামলার আসামি হয়ে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করছে না। আমরা অতিদ্রুত এই কুলাঙ্গার আসামি কে গ্রেফতারের জোর দাবি জানাচ্ছি প্রশাসনের কাছে।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল হান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মামলার কিছু আসামি গ্রেফতার হয়েছে তবে আমি ও জানি এই মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম শান্ত এলাকায় কিছু অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে কিন্তু আত্মগোপনে থেকে আমরা অতিদ্রুত তাকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।