ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে এনএনটি গ্রুপের সম্পদ লুটের অভিযোগ

শরিফুল ইসলাম আকন
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে এনএনটি গ্রুপের সম্পদ লুটের অভিযোগ

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় এনএনটি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এলিট স্যুটস-এর মূল্যবান যন্ত্রপাতি ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার ব্যবহার করে অপসারণ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বিএনপির শ্রীপুর শাখার সদস্য সচিব খাইরুল কবির আজাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপিও অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতিবীদের মাঝে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি জনতা ব্যাংকের ঋণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউনুস বাদল এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম মালিকশূন্য হয়ে পড়ে। এরপর এই সুযোগে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন মূল্যবান মেশিনপত্র কেটে বিক্রি করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে উল্লেখ আছে , জনতা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না হওয়া অবস্থায় ব্যাংকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পদ কীভাবে বিক্রি করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়া সম্পদ অপসারণের জন্য ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার তৈরি করা হয়েছে বলেও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে,প্রভাবশালী বিএনপির রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ রাতের আঁধারে ট্রাকে করে একাধিকবার প্রতিষ্ঠানের মেশিনপত্র নিয়ে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির শ্রীপুর শাখার সদস্য সচিব খাইরুল কবির আজাদ মণ্ডলের নামে অভিযোগ উল্লেখ করা হলেও,সাংবাদিকদের মুঠোফোনে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন কিছু জানিনা আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন, এরপর একাধিকবার তার ফোনে ফোন করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

[ramadan_somoysuci]

ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে এনএনটি গ্রুপের সম্পদ লুটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে এনএনটি গ্রুপের সম্পদ লুটের অভিযোগ

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় এনএনটি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এলিট স্যুটস-এর মূল্যবান যন্ত্রপাতি ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার ব্যবহার করে অপসারণ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বিএনপির শ্রীপুর শাখার সদস্য সচিব খাইরুল কবির আজাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপিও অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতিবীদের মাঝে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি জনতা ব্যাংকের ঋণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউনুস বাদল এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম মালিকশূন্য হয়ে পড়ে। এরপর এই সুযোগে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন মূল্যবান মেশিনপত্র কেটে বিক্রি করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে উল্লেখ আছে , জনতা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না হওয়া অবস্থায় ব্যাংকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পদ কীভাবে বিক্রি করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়া সম্পদ অপসারণের জন্য ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার তৈরি করা হয়েছে বলেও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে,প্রভাবশালী বিএনপির রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ রাতের আঁধারে ট্রাকে করে একাধিকবার প্রতিষ্ঠানের মেশিনপত্র নিয়ে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির শ্রীপুর শাখার সদস্য সচিব খাইরুল কবির আজাদ মণ্ডলের নামে অভিযোগ উল্লেখ করা হলেও,সাংবাদিকদের মুঠোফোনে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন কিছু জানিনা আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন, এরপর একাধিকবার তার ফোনে ফোন করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।