মাদারীপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো সেই নারী আসামি কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার​।

মাদারীপুর প্রতিনিধ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো সেই নারী আসামি কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার​।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের গ্রিল কেটে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই নারী আসামি হাসিনাকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ জুলাই, ২০২৬) ভোর সোয়া ৬টার সময় ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকার জিয়ানগর ৪নং গলি থেকে তাকে যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ ও র‌্যাব।​গ্রেফতারকৃত হাসিনা মাদারীপুর সদর থানার কালাইমারা গ্রামের মোঃ হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং আল আমিনের স্ত্রী।​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পেনাল কোডের ২৯০ ধারায় হাসিনাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার ২নং পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন ভেঙে ফেলায় বর্তমানে অস্থায়ী ভবনে থানার কার্যক্রম চলছে। সেখানে নির্দিষ্ট কোনো হাজতখানা না থাকায় পুরুষ আসামিদের চরমুগরিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে এবং নারী আসামিদের অস্থায়ী থানার নিচতলার জুনিয়র সেরেস্তায় নারী পুলিশের পাহাড়ায় রাখা হয়েছিল।​কিন্তু ১০ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে আসামি হাসিনা কৌশলে বারান্দার ৩টি এসএস (SS) পাইপ ভেঙে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ২২৪/৪২৭ ধারায় মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।​পরবর্তীতে মাদারীপুরের মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনার তত্ত্বাবধানে আসামিকে গ্রেফতারে জোর তৎপরতা শুরু হয়। মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে এসআই বাপ্পি সরদার, এসআই এসএম শাহরিয়ার, এসআই সাকিব সালমান, এসআই রমজান আলী সজল ও সঙ্গীয় নারী পুলিশসহ মাদারীপুর সদর থানা এবং র‌্যাব-০৮ এর একটি চৌকস দল তথ্য-প্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে আজ ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী।​এ বিষয়ে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।​

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

[ramadan_somoysuci]

মাদারীপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো সেই নারী আসামি কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার​।

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো সেই নারী আসামি কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার​।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের গ্রিল কেটে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই নারী আসামি হাসিনাকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ জুলাই, ২০২৬) ভোর সোয়া ৬টার সময় ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকার জিয়ানগর ৪নং গলি থেকে তাকে যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ ও র‌্যাব।​গ্রেফতারকৃত হাসিনা মাদারীপুর সদর থানার কালাইমারা গ্রামের মোঃ হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং আল আমিনের স্ত্রী।​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পেনাল কোডের ২৯০ ধারায় হাসিনাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার ২নং পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন ভেঙে ফেলায় বর্তমানে অস্থায়ী ভবনে থানার কার্যক্রম চলছে। সেখানে নির্দিষ্ট কোনো হাজতখানা না থাকায় পুরুষ আসামিদের চরমুগরিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে এবং নারী আসামিদের অস্থায়ী থানার নিচতলার জুনিয়র সেরেস্তায় নারী পুলিশের পাহাড়ায় রাখা হয়েছিল।​কিন্তু ১০ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে আসামি হাসিনা কৌশলে বারান্দার ৩টি এসএস (SS) পাইপ ভেঙে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ২২৪/৪২৭ ধারায় মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।​পরবর্তীতে মাদারীপুরের মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনার তত্ত্বাবধানে আসামিকে গ্রেফতারে জোর তৎপরতা শুরু হয়। মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে এসআই বাপ্পি সরদার, এসআই এসএম শাহরিয়ার, এসআই সাকিব সালমান, এসআই রমজান আলী সজল ও সঙ্গীয় নারী পুলিশসহ মাদারীপুর সদর থানা এবং র‌্যাব-০৮ এর একটি চৌকস দল তথ্য-প্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে আজ ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী।​এ বিষয়ে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।​